জ্যামিতি বাক্সের স্কেল, কম্পাস ও চাঁদা দিয়ে নির্ভুল আকৃতি আঁকতে শিখি।
কম্পাসের এক পা কাগজে স্থির রেখে, অন্য পায়ে পেন্সিল বসিয়ে ঘুরালে একটা বৃত্ত আঁকা যায়। কম্পাসের ব্যবধানই বৃত্তের ব্যাসার্ধ হয়।
৫ সেমি ব্যাসার্ধের বৃত্ত আঁকতে কম্পাসের দুই পায়ের ব্যবধান কত রাখতে হবে?
৫ সেমি
একটা বৃত্তের ব্যাসার্ধ ৩ সেমি হলে ব্যাস কত?
৩ × ২ = ৬ সেমি
চাঁদা দিয়ে যেকোনো কোণের মাপ ডিগ্রিতে নির্ভুলভাবে জানা যায় — চাঁদার শূন্য বিন্দু কোণের এক বাহুর সাথে মিলিয়ে অন্য বাহুটা যেখানে চাঁদা কাটে, সেই সংখ্যাই কোণের মাপ।
চাঁদা দিয়ে মাপার সময় একটা কোণ ৯০° দেখালে সেটা কোন ধরনের কোণ?
সমকোণ (right angle)
চাঁদা দিয়ে একটা কোণ ৪৫° দেখালে সেটা কোন ধরনের কোণ?
সূক্ষ্মকোণ (acute angle)
1. ৭ সেমি ব্যাসার্ধের বৃত্ত আঁকতে কম্পাসের ব্যবধান কত রাখতে হবে?
2. একটা বৃত্তের ব্যাস ১৬ সেমি হলে ব্যাসার্ধ কত?
3. চাঁদায় একটা কোণ ১৩৫° দেখালে সেটা কোন ধরনের কোণ?
4. চাঁদায় একটা কোণ ১৮০° দেখালে সেটা কোন ধরনের কোণ?
5. জ্যামিতি বাক্সে বৃত্ত আঁকার জন্য কোন যন্ত্র ব্যবহার হয়?
পূর্বপাঠের পুনরালোচনা থেকে যন্ত্রের কারখানা পর্যন্ত — পুরো যাত্রা সম্পূর্ণ! আরও অধ্যায় শীঘ্রই আসছে।
← পুরো মানচিত্র দেখো