কম্পাস ও স্কেল ব্যবহার করে একটি রেখাংশকে সমান কয়েকটি ভাগে ভাগ করার নিখুঁত পদ্ধতি শিখি — অষ্টম শ্রেণির শেষ অধ্যায়!
একটি রেখাংশকে n সমান ভাগে ভাগ করতে হলে, রেখাংশের একপ্রান্ত থেকে একটি সহায়ক রশ্মি টেনে তাতে n সমান দৈর্ঘ্যের চিহ্ন বসিয়ে শেষ বিন্দুটি রেখাংশের অপর প্রান্তের সাথে যুক্ত করে সমান্তরাল রেখা টানা হয়।
একটি রেখাংশকে তিনটি সমান ভাগে ভাগ করতে সহায়ক রশ্মিতে কতগুলি সমান দূরত্বের চিহ্ন বসাতে হবে?
৩টি সমান দূরত্বের চিহ্ন
কেন সহায়ক রশ্মিতে বসানো বিন্দুগুলি সমান দূরত্বে হওয়া জরুরি?
কারণ সমান্তরাল রেখা টানার সময় সমানুপাতিক ভাগের নীতি অনুযায়ী মূল রেখাংশও একই অনুপাতে ভাগ হবে, যা কেবল বিন্দুগুলি সমান দূরত্বে থাকলেই সম্ভব
একই পদ্ধতি পাঁচ বা যেকোনো সংখ্যক সমান ভাগে প্রয়োগ করা যায়, শুধু সহায়ক রশ্মিতে চিহ্নের সংখ্যা পরিবর্তন করে।
একটি ১৫ সেমি দীর্ঘ রেখাংশকে পাঁচ সমান ভাগে ভাগ করলে প্রতিটি ভাগ কত দীর্ঘ হবে?
১৫÷৫=৩ সেমি প্রতিটি ভাগ
এই পদ্ধতিতে কি একটি রেখাংশকে সাত সমান ভাগে ভাগ করা সম্ভব?
হ্যাঁ, সহায়ক রশ্মিতে ৭টি সমান দূরত্বের চিহ্ন বসিয়ে একই পদ্ধতিতে সম্ভব
1. একটি রেখাংশকে পাঁচটি সমান ভাগে ভাগ করতে সহায়ক রশ্মিতে কতগুলি চিহ্ন বসাতে হবে?
2. একটি ১২ সেমি রেখাংশকে তিনটি সমান ভাগে ভাগ করলে প্রতিটি ভাগ কত দীর্ঘ হবে?
3. একটি ২০ সেমি রেখাংশকে পাঁচটি সমান ভাগে ভাগ করলে প্রতিটি ভাগ কত দীর্ঘ হবে?
4. সহায়ক রশ্মিতে বসানো শেষ বিন্দুটি রেখাংশের অপর প্রান্তের সাথে যুক্ত করার পর কী করতে হয়?
5. এই পদ্ধতিটি কোন জ্যামিতিক নীতির উপর ভিত্তি করে কাজ করে?
পূর্বপাঠের পুনরালোচনা থেকে রেখাংশ ভাগ করা পর্যন্ত — সম্পূর্ণ অষ্টম শ্রেণির গণিত বই সম্পন্ন হলো। সামনে আরও নতুন চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে!
← মূল পাতায় ফিরে যাও